উত্তরঃ- আযানের জবাব দেওয়া প্রত্যেক মুসলমানের একান্ত কর্তব্য। আযানের জবাব পূর্ণ আন্তরিকতার সাথে প্রদান করলে, সে বেহেশতে প্রবেশ করবে বলে নবী করীম (সা) ঘোষণা করেছেন।

 ***আযানের জবাব দেওয়ার পদ্ধতি হচ্ছে নিম্নরুপঃ-

আযানের জবাব দু-ভাবে দেওয়া হয়    


  • ক্বউলীঃ- এর মানে হলো, আযানের বাক্য শ্রবণের পর, শ্রোতা আস্তে আস্তে ঐ বাক্যগুলো বলবে । তবে হায়্যায়ালাস সালাহ ও হায়্যায়ালাল ফালাহ বাক্যগুলোর পরিবর্তে লা হাওলা ওলা ক্বুউওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ বলবে। আর ফজরের আযানের সময় আস-সালাতু খাইরুম মিনান নাউম এর জবাবে সাদাক্বতা ওয়া বারারতা বলবে। 
  • ফেয়লীঃ- এর মানে হলো, আযান শুনার সাথে সাথে নামাযের পূর্ন প্রস্তুতি নেওয়া বা মসজিদে গমণ করা।

***আযানের জবাব যখন দিতে পারবেনঃ- স্ত্রী সহবাস ও মলমূত্র ত্যাগ ব্যতীত সর্বাবস্থায় আযানের জবাব দেওয়া যায়। এমনকি জুনুবী হলে, ঋতুবতী বা নেফাসওয়ালি মহিলা হলেও।

তথ্যসূত্রঃ-  আনওয়ারুল মিশকাত শরহে মিশকাতুল মাসাবীহ এর "আযানের মহাত্ম ও মুয়াজ্জিনের উত্তর দান " পরিচ্ছেদের ভূমিকা থেকে নেওয়া।

Post a Comment

Previous Post Next Post