উত্তরঃ নিম্নে কারা কারা ফিদয়া দিতে পারবে বা পারবে না। তা নিম্নে বিস্তারিতভাবে দেওয়া হলোঃ

যারা ফিদয়া দিতে পারবেঃ যে বৃদ্ধ বা অসুস্থ ব্যক্তির রোযা রাখার সামর্থ্য নেই এবং পরবর্তীতে কাযা করতে পারবে এমন সম্ভাবনাও নেই, এমন ব্যক্তি রোযার পরিবর্তে ফিদয়া প্রদান করবে। -সূরা বাকারা : ১৮৪

যারা ফিদয়া দিতে পারবে নাঃ উপরোক্ত দুই শ্রেণীর মানুষ ছাড়া অর্থাৎ দুর্বল বৃদ্ধ ও এমন অসুস্থ ব্যক্তি যার ভবিষ্যতে রোযার শক্তি ফিরে পাওয়ার সম্ভাবনা নেই, তারা ব্যতীত আরো যাদের জন্যে রোযা ভাঙ্গা জায়েয আছে। যেমন-মুসাফির, গর্ভবতী ও শিশুকে স্তন্যদানকারিনী, তারা রোযা না রাখলে রোযার ফিদয়া দিবে না; বরং পরে কাযা করবে।

আর ওযরের হালতে মৃত্যুবরণ করলে কাযা ও ফিদয়া কিছুই ওয়াজিব হবে না। অবশ্য ওযরের হালত শেষ হওয়ার পর, অর্থাৎ মুসাফির মুকীম হওয়ার পর, গর্ভবতী নারীর সন্তান ভূমিষ্ট হওয়ার পর এবং স্তন্যদানকারিনী স্তন্যদান বন্ধ করার পর, যদি মৃত্যুবরণ করে তাহলে ওযর শেষে যে কয়দিন সময় পেয়েছে সে কয়দিনের কাযা যিম্মায় আসবে। কাযা না করলে উক্ত দিনগুলির ফিদয়া প্রদানের অসিয়ত করে যেতে হবে। -আদ্দুররুল মুখতার ২/৪২৩-৪২৪; কিতাবুল হুজ্জাহ আলা আহলিল মাদীনাহ ১/২৫৫

Post a Comment

Previous Post Next Post