করােনা ভাইরাসজনিত রােগ কোভিড-১৯ এর বিস্তার রােধ এবং পরিস্থিতির উন্নয়নের লক্ষ্যে সরকার আগামী ৩১ মে ২০২০ থেকে ১৫ জুন ২০২০ পর্যন্ত শর্তসাপেক্ষে দেশের সার্বিক কার্যাবলি এবং জনসাধারণের চলাচলে নিষেধাজ্ঞা আরােপ/সীমিত করার সিদ্ধান্ত গ্রহণ করেছে। ৫, ৬, ১২ ও ১৩ জুন ২০২০ সাপ্তাহিক ছুটি এ নিষেধাজ্ঞার অন্তর্ভুক্ত থাকবে।


শর্তাবলিঃ


২। উক্ত নিষেধাজ্ঞাকালীন সকল সরকারি / আধাসরকারি / স্বায়ত্তশাসিত অফিসসমূহ নিজ ব্যবস্থাপনায় সীমিত পরিসরে খােলা থাকবে। ঝুঁকিপূর্ণ ব্যক্তি, অসুস্থ কর্মচারী এবং সন্তান সম্ভবা নারীগণ কর্মস্থলে উপস্থিত হওয়া থেকে বিরত থাকবেন। এক্ষেত্রে কর্মকর্তা কর্মচারীদের স্বাস্থ্য বিধি নিশ্চিতকরণের জন্য সর্বাবস্থায় মাস্ক পরিধানসহ স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ কর্তৃক জারিকৃত ১৩ দফা নির্দেশনা কঠোরভাবে অনুসরণ করতে হবে।

৩। উক্ত নিষেধাজ্ঞাকালীন কর্মকর্তা-কর্মচারীগণ কর্মস্থল ত্যাগ করতে পারবেন না।


এর আগে যেসব শর্তাবলী ছিল:

  • ১) আগামী ১৭ মে, ২০২০ তারিখ থেকে ৩০ মে, ২০২০ তারিখ পর্যন্ত সাধারণ ছুটি ঘােষণা করা হয়। ২১ মে ২০২০ ( শবে কদরের সরকারি ছুটি ), ২২-২৩ মে এবং ২৯-৩০ মে ২০২০ তারিখের সাপ্তাহিক ছুটি এবং ২৪, ২৫ ও ২৬ মে, ২০২০ (ইদুল ফিতরের) ছুটিও এ ছুটির অন্তর্ভুক্ত থাকবে।
  •  ২) উক্ত ছুটিকালীন জনসাধারণ ও সকল কর্তৃপক্ষকে অবশ্যই স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ কর্তৃক জারিকৃত নির্দেশমালা কঠোরভাবে মেনে চলতে হবে।
  • ৩) জরুরি পরিষেবা যেমন - বিদ্যুৎ, পানি, গ্যাস ও অন্যান্য জ্বালানী, ফায়ার সার্ভিস, বন্দরসমূহের (স্থলবন্দর, নদীবন্দর ও সমুদ্রবন্দর) কার্যক্রম, পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম, টেলিফোন ও ইন্টারনেট, ডাক সেবা এবং এ সংশ্লিষ্ট সেবা কাজে নিয়ােজিত যানবাহন ও কর্মীগণ এ দুটির বাইরে থাকবেন।
  • ৪) সড়ক ও নৌ পথে সকল প্রকার পণ্য পরিবহনের কাজে নিয়ােজিত যানবাহন (ট্রাক, লরি, কার্গো ভেসেল প্রভৃতি) চলাচল অব্যাহত থাকবে।
  • ৫) কৃষি পণ্য, সার, কীটনাশক, খাদ্য, শিল্প পণ্য, রাষ্ট্রীয় প্রকল্পের মালামাল, কাঁচা বাজার, খাবার, ঔষধের দোকান, হাসপাতাল ও জরুরি সেবা এবং এ সবের সাথে সংশ্লিষ্ট কর্মীদের ক্ষেত্রে এ ছুটি প্রযােজ্য হবে না।
  • ৬) চিকিৎসা সেবায় নিয়ােজিত চিকিৎসক ও কর্মী এবং ঔষধসহ চিকিৎসা সরঞ্জামাদি বহনকারী যানবাহন ও কর্মী, গণমাধ্যম (ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়া) এবং ক্যাবল টিভি নেটওয়ার্কে নিয়ােজিত কর্মীগণ এ ছুটির আওতাবহির্ভূত থাকবে।
  • ৭) ঔষধশিল্প, উৎপাদন ও রপ্তানিমুখী শিল্পসহ সকল কলকারখানা কর্তৃপক্ষ শ্রমিকদের নিরাপত্তা এবং স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিত করে চালু রাখতে পারবে। স্বাস্থ্য সেবা বিভাগ কর্তৃক প্রণীত 'বিভিন্ন শিল্প কারখানায় স্বাস্থ্যবিধি নিশ্চিতকরণে নির্দেশনা' প্রতিপালন নিশ্চিত করতে হবে।
  • ৮) পরিস্থিতি বিবেচনা করে পরবর্তীতে শিল্প-কারখানা, কৃষি এবং উৎপাদন ও সরবরাহ ব্যবস্থার সাথে সংশ্লিষ্ট ক্ষেত্রগুলাে পর্যায়ক্রমে উন্মুক্ত করা হবে।
  • ৯) সাধারণ ছুটিকালীন কোনাে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খােলা রাখা যাবে না।
  • ১০) রমজান, ঈদ এবং ব্যবসা-বাণিজ্যের সুবিধা বিবেচনায় ব্যাংকিং ব্যবস্থা চালু রাখার বিষয়ে বাংলাদেশ ব্যাংক প্রয়ােজনীয় নির্দেশনা প্রদান করবে।
  • ১১) সকল মন্ত্রণালয়/বিভাগ তাদের নিয়ন্ত্রণাধীন অফিসসমূহ প্রয়ােজন অনুসারে খােলা রাখবে। সেইসঙ্গে তারা তাদের অধিক্ষেত্রের কার্যাবলি পরিচালনার জন্য সুনির্দিষ্ট নির্দেশনা জারি করবে।
  • (১২) এবং ঈদ-উল-ফিতরের সরকারি ছুটিতে কেউ কর্মস্থল ত্যাগ করতে পারবে না।


1 Comments

Post a Comment

Previous Post Next Post