২০২০-২০২১ শিক্ষাবর্ষে শিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং শিক্ষা বোর্ড কর্তৃক অনুমোদিত বাংলাদেশের সকল সরকারি-বেসরকারি স্কুল-মাদরাসা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান সমূহে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির বিজ্ঞপ্তি ২০২০ প্রকাশিত হলেও কভিড-১৯ এর কারনে এইচএসসি ভর্তি স্থগিত রয়েছে। এদিকে জুন মাসের প্রথম সপ্তাহে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি কার্যক্রম শুরুর পরিকল্পনা থাকলেও করোনাভাইরাস পরিস্থিতি উন্নতি না হওয়ার কারনে একাদশ শ্রেণির ভর্তি কার্যক্রম আপাতত শুরু হচ্ছে না।

রোববার (৩১ মে) আন্তশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় সাব-কমিটির সভাপতি অধ্যাপক মু. জিয়াউল হক বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন। তিনি আরও বলেন, জুন মাসে কলেজে ভর্তি কার্যক্রম শুরু করা হবে কি না, তা এখনো নিশ্চিত নয়। সবকিছু বিবেচনা করেই পরে সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। তবে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সূত্রে জানা যায় জুলাইয়ের ২য় সাপ্তাহ থেকে এইচএসসি ভর্তি কার্যক্রম শুরু হতে পারে এবং ০১ সেপ্টেম্বর থেকে ক্লাস শুরু হতে পারে। কিন্তু করোনা পরিস্থিতির কারনে আগ-পিছ হতে পারে। যাইহোক চলুন জেনে নেওয়া যাক, ২০২০ সালের প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী একাদশ শ্রেণির ভর্তি তথ্য এবং ভর্তির বিস্তারিত তথ্যবলীঃ

একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি তথ্য ২০২০ - এইচএসসি ভর্তি ২০২০


একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি তথ্য ২০২০ | এইচএসসি ভর্তি ২০২০


এই আর্টিকেল থেকে আপনি জানতে পারবেন ২০২০-২০২১ শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণি বা এসএসসি, আলিম শ্রেণিতে ভর্তির আবেদনের যোগ্যতা, সংক্ষেপে ভর্তির সম্পূর্ণ প্রক্রিয়া, ভর্তির ক্ষেত্রে গ্রুপ বা শাখা নির্বাচন, কলেজ-মাদরাসা চয়েজ ও আবেদন ফি, একাদশ শ্রেণিতে প্রাথমিক আবেদন পদ্ধতি, ভর্তি হওয়ার নিয়মাবলী, ভর্তি ফি এবং ভর্তি হতে যেসব কাগজপত্র লাগবে তা সহ এইচএসসি ভর্তি ২০২০ এবং আলিম ভর্তি ২০২০



একাদশ শ্রেনির ভর্তি প্রক্রিয়া যেভাবে সম্পন্ন হবে


  • ২০২০-২০২১ শিক্ষাবর্ষের একাদশ শ্রেণিতে কোন শিক্ষার্থী ভর্তি হতে চাইলে প্রথমে তাকে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে ভর্তির জন্য প্রাথমিক আবেদন করতে হবে। যারা ফলাফল পুনঃনিরীক্ষণের জন্য আবেদন করেছে, তারাও সে সময়ের মধ্যে আবেদন করবে। অবশ্য ফলাফল পরিবর্তন পরবর্তীতে আলাদাভাবে আবেদন করতে পারবে। 
  • এরপর ১ম মেধাতালিকার ফলাফল বের হবে। যাদের পছন্দমত ১ম চয়েজের সাবজেক্ট ও কলেজ আসবে, তারা সাথে সাথে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে ভর্তি নিশ্চায়ন করে নিবে এবং চূড়ান্ত ভর্তির জন্য অপেক্ষা করবে এবং এরই মধ্যে কলেজ বা মাদরাসায় ভর্তি হওয়ার জন্য প্র্যোজনীয় কাগজপত্র সংগ্রহ করবে।
  • আর যাদের পছন্দমত ১ম চয়েজের সাবজেক্ট ও কলেজ আসবে না, তারা মাইগ্রেশন করতে পারবে। আবার মাইগ্রেশন করতে না চাইলে তাও পারবে। তবে যাদের কোন ফলাফল আসেনি, তারা ২য় মেধাতালিকার ফলাফলের জন্য অপেক্ষা করবে। কোনো আবেদন করতে হবে না।
  • কিছুদিন পর ২য় মেধাতালিকা এবং ১ম মাইগ্রেশনের ফলাফল বের হবে। পূর্বের মত যাদের পছন্দমত ১ম চয়েজের সাবজেক্ট ও কলেজ আসবে, তারা সাথে সাথে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে ভর্তি নিশ্চায়ন করে নিবে এবং চূড়ান্ত ভর্তির জন্য অপেক্ষা করবে।
  • আর যাদের পছন্দমত ১ম চয়েজের সাবজেক্ট ও কলেজ আসবে না, তারা তারা পূণরায় শেষ বারের মত মাইগ্রেশন করতে পারবে। তবে যাদের কোন ফলাফল আসেনি, তারা সর্বশেষ ৩য় মেধাতালিকার ফলাফলের জন্য অপেক্ষা করবে। কোনো আবেদন করতে হবে না।
  • দুই-এক দিন পর ৩য় মেধাতালিকা এবং ২য় মাইগ্রেশনের ফলাফল বের হবে। পূর্বের মত যাদের পছন্দমত ১ম চয়েজের সাবজেক্ট ও কলেজ আসবে, তারা সাথে সাথে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে ভর্তি নিশ্চায়ন করে নিবে এবং চূড়ান্ত ভর্তির জন্য অপেক্ষা করবে।
  • তারপর (সর্বশেষ মেধাতালিকা) ৩য় মেধাতালিকা এবং ২য় মাইগ্রেশনের ফলাফল বের হবে। এখন যাদের যেটা ফলাফল আসবে, সেটাই তাদের চূড়ান্ত ফলাফল। তারা সাথে সাথে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে ভর্তি নিশ্চায়ন করে নিবে এবং অল্প কুছিদিনের মধ্যে চূড়ান্ত ভর্তি শুরু হয়ে যাবে।
  • এরপর চুড়ান্ত ভর্তি হওয়ার জন্য ভর্তির নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে যে যে কলেজে চান্স পাবে, প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নিয়ে সে কলেজে গিয়ে নির্দিষ্ট পদ্ধতি ভর্তি হবে।



আবেদনের যোগ্যতা

  • যারা ২০১৮, ২০১৯ এবং ২০২০ সালের এসএসসি পরিক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছে।
  • আর উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় হতে যারা ২০১৮, ২০১৯ এবং ২০২০ সালের এসএসসি পরিক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছে, তারা আবেদন করতে পারবে। তবে এক্ষেত্রে তাদের বয়স হতে হবে সর্বোচ্চ ২২ বছর।  
  • বিদেশি কোন বোর্ড বা অনুররুপ কোন প্রতিষ্ঠান হতে সমমানের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীগণ মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক বোর্ড ঢাকা, কর্তৃক তার সনদের মান নির্ধারণের পর উপোরিউক্ত শর্ত সাপেক্ষে ভর্তির যোগ্য হবে।


ভর্তির ক্ষেত্রে গ্রুপ বা শাখা নির্বাচন


সাধারন বোর্ড এর ক্ষেত্রে
  • বিজ্ঞান শাখা/গ্রুপের শিক্ষার্থী যেকোনো গ্রুপের যেকোনো একটিতে  ভর্তি হতে পারবে।
  • মানবিক শাখা/গ্রুপের শিক্ষার্থী মানবিক ও ব্যবসায় শাখার যেকোনো একটিতে  ভর্তি হতে পারবে।
  • এবং ব্যবসায় শাখা/গ্রুপের শিক্ষার্থী ব্যবসায় ও মানবিক শাখার যেকোনো একটিতে ভর্তি হতে পারবে।
মাদরাসা বোর্ড এর ক্ষেত্রে
  • বিজ্ঞান শাখা/গ্রুপের শিক্ষার্থী সাধারণ শিক্ষা বোর্ড ও মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডের যেকোনো গ্রুপ/শাখায় ভর্তি হতে পারবে।
  • মানবিক শাখা/গ্রুপের শিক্ষার্থী সাধারন শিক্ষা বোর্দের  মানবিক ও ব্যবসায় শাখায় এবং মাদরাসা বোর্ডের সাধারন ও মুজ্জাব্বিদ গ্রুপের  যেকোনো একটি গ্রুপে ভর্তি হতে পারবে।
  • মুজ্জাব্বিদ গ্রুপের শিক্ষার্থী, সাধারন শিক্ষা বোর্ডের  মানবিক ও ব্যবসায় শাখায় এবং মাদরাসা বোর্ডের সাধারন ও মুজ্জাব্বিদ গ্রুপের যেকোনো একটি গ্রুপে ভর্তি হতে পারবে।
  • দাখিল (ভোকেশনাল) গ্রুপের শিক্ষার্থী, সাধারন শিক্ষা বোর্ডের  মানবিক ও ব্যবসায় শাখায় এবং মাদরাসা বোর্ডের সাধারন ও মুজ্জাব্বিদ গ্রুপের যেকোনো একটি গ্রুপে ভর্তি হতে পারবে।
কারিগরি বোর্ড এর ক্ষেত্রে 
  • এসএসসি (ভোকেশনাল) ও দাখিল (ভোকেশনাল) গ্রুপের শিক্ষার্থী, সাধারন শিক্ষা বোর্ডের বিজ্ঞান ও ব্যবসায় শাখায় এবং মানবিক গ্রুপের যেকোনো একটিতে  ভর্তি হতে পারবে।

কলেজ চয়েজ ও আবেদন ফি 

  • আবেদন করার সময় একজন শিক্ষার্থী সর্বনিম্ন ৫টি এবং সর্বোচ্চ ১০টি কলেজ চয়েজ দিতে পারবে। 
  • অনলাইনে আবেদনের ক্ষেত্রে সর্বনিম্ন ৫ টি কলেজে আবেদন করুন অথবা সর্বোচ্চ ১০ টি কলেজে আবেদন করুন, সর্বাস্থায় আবেদন ফি বাবত ১৫০/- টাকা লাগবে।
  • আর এসএমএস এর ক্ষেত্রে প্রতি আবেদনের জন্য আবেদন ফি বাবত ১২০/- টাকা লাগবে এবং এসএমএস এর মাধ্যমে একাধিক প্রতিষ্ঠান বা একই প্রতিষ্ঠানের একাধিক গ্রুপ বা শিফটে আবেদন করতে পারবে।
  • মাদরাসা, কলেজ এবং কারিগরি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, সবার জন্য একই নিয়মমে আবেদন করতে হবে।



একাদশ শ্রেণিতে আবেদন পদ্ধতি

বিগত কয়েক বছরের মত এবারও এসএসসি ফলাফলের ভিত্তিতে কলেজে ভর্তি করা হবে। একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির জন্য প্রাথমিক আবেদন দুইভাবে করা যায়। যথাঃ এসএমএস ও অনলাইন। একাদশ শ্রেণিতে এসএমএস ও অনলাইনের মাধ্যমে আবেদন যেভাবে করবেন, তা জানতে এখানে ক্লিক করুন - অনলাইন এর মাধ্যমে আবেদন করার জন্য, টেলিটক/বিকাশ/শিওর ক্যাশ/গ্রামীণফোন এর মাধ্যমে টাকা জমা দেওয়ার পর, নির্ধারিত সাইট থেকে এপ্লাই করতে হবে। আবেদন করার সাইটটি নিম্নরূপ দেওয়া হলোঃ

আবেদন করার লিংকঃ  http://www.xiclassadmission.gov.bd

লিংকে প্রবেশ করার পর করনীয়ঃ
  • উপরের লিংকে প্রবেশ করার পর, যে মেনু আসবে, তাতে 'Apply Now' তে ক্লিক করতে হবে।
  • এরপর, প্রার্থীর এসএসসি/সমমান পরীক্ষার পাসের সন, বোর্ড এর নাম, রোল নম্বর ও রেজিস্ট্রেশন নম্বর দিয়ে এন্ট্রি করতে হবে।
  • এন্ট্রি করার পর, আবেদনকারীর তথ্য সঠিক হলে, সে তার ব্যক্তিগত তথ্য এবং এসএসসি/সমমান পরীক্ষায় প্রাপ্ত GPA দেখতে পারে।
  •  প্রক্রিয়া শেষ হলে, আবেদনকারীর একটি ফরম পাবে, তা ডাউনলোড করতে হবে। এভাবে একজন প্রার্থী সর্বনিম্ন ০৫ টি এবং সর্বোচ্চ ১০ টি কলেজে আবেদন করতে পারবে।
  • একাদশ শ্রেণিতে আবেদন করার বিস্তারিত পদ্ধতি দেখুন এখান থেকে


একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির গুরুত্বপূর্ণ তারিখ সমূহ

  • আবেদনের সময়ঃ --/--/ ২০২০ হতে --/--/ ২০২০ পর্যন্ত (যারা পুনঃনিরীক্ষণের জন্য আবেদন করবে, তাদেরকেও এই সময়ের মধ্যে আবেদন করতে হবে)। 
  • আবেদন যাচাই, বাছাই ও বিষয় আপত্তি নিষ্পত্তি: --/--/ ২০২০ থেকে --/--/ ২০২০ পর্যন্ত।
  • ফলাফল পরিবর্তীতদের জন্য আবেদনের সময়সীমাঃ --/--/ ২০২০ হতে --/--/ ২০২০ পর্যন্ত।
  • পছন্দক্রম পরিবর্তনের সময়সীমাঃ আবেদনের সময় থেকে --/--/ ২০২০ তারিখ পর্যন্ত।
  • ১ম মেধাতালিকার ফল প্রকাশঃ --/--/ ২০২০
  • ১ম পর্যায়ে শিক্ষার্থীদের নিশ্চায়নের সময়সীমাঃ --/--/ ২০২০ থেকে --/--/ ২০২০ পর্যন্ত। বি.দ্র. ১ম মেধা তালিকায় স্থান প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের মধ্যে, যারা নিশ্চায়ন করবে না,  তাদের ১ম পর্যায়ের selection এবং তাদের আবেদন বাতিল বলে গণ্য হবে।
  • ২য় পর্যায়ে আবেদন করার সময়সীমাঃ --/--/ ২০২০ থেকে --/--/ ২০২০ পর্যন্ত।  ১) যারা ইতিমধ্যে কোনো কলেজে নির্বাচিত বা selection হয়নি, তারা কোন প্রকার ফি দেওয়া ব্যতীত তাদের আবেদন update তথা নতুন কলেজ সংযোজন-বিয়োজন করতে পারবে। ২) যারা ইতিমধ্যে কোনো কলেজে ভর্তির জন্য আবেদন করেনি অথবা ১ম মেধা তালিকায় স্থানপ্রাপ্ত হয়েও যারা নিশ্চায়ন করেনি, তারা আবেদন ফি বাবত ১৫০- টাকা দিয়ে দ্বিতীয় পর্যায়ে আবেদন করতে পারবে। ৩) এবং যারা পূর্বে আবেদন ফি প্রদান করেছে কিন্তু আবেদন করেনি, তারাও আবেদন করতে পারবে।
  • ২য় মেধাতালিকা এবং ১ম মাইগ্রেশনের ফল প্রকাশঃ  --/--/ ২০২০
  • ২য় পর্যায়ে নিশ্চায়নের সময়সীমাঃ --/--/ ২০২০ থেকে --/--/ ২০২০ পর্যন্ত।  বি.দ্র. ২য় মেধা তালিকায় স্থান প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের মধ্যে, যারা নিশ্চায়ন করবে না,  তাদেরও ২য় পর্যায়ের selection এবং আবেদন বাতিল বলে গণ্য হবে।
  • ৩য় পর্যায়ে আবেদন করার সময়সীমাঃ --/--/ ২০২০
  • ৩য় মেধাতালিকা এবং ২য় মাইগ্রেশনের ফল প্রকাশঃ --/--/ ২০২০
  • ৩য় পর্যায়ে নিশ্চায়নের সময়সীমাঃ --/--/ ২০২০
  • ভর্তির তারিখঃ --/--/ ২০২০ থেকে --/--/ ২০২০ পর্যন্ত। 
  • ক্লাশ শুরুঃ --/--/ ২০২০ থেকে। বি.দ্র.  ১ম মেধা তালিকায় স্থান প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের মধ্যে, যারা নিশ্চায়ন করবে না,  তাদের ১ম পর্যায়ের selection এবং তাদের আবেদন বাতিল বলে গণ্য হবে।

    আরও পড়ুনঃ

    একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি হওয়ার নিয়মাবলী 

    মেধা তালিকায় স্থানপ্রাপ্তরা শুধু একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি হতে পারবে। ভর্তি হতে হবে চলতি মাসের --/--/২০২০ থেকে --/--/২০২০ পর্যন্ত। ভর্তি হওয়ার জন্য নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে নিম্নোক্ত প্রয়োজনীয় কাগজপত্র এবং ভর্তি ফি'র টাকা সহ সংশ্লিষ্ট কলেজে গিয়ে, উক্ত কলেজের ফরম পূরণ করে ভর্তি কার্যক্রম সম্পন্ন করতে হবে। এই ফরম কোনো কোনো কলেজের ওয়েবসাইট থেকেও পূরণ করা যাবে।


    একাদশ শ্রেণির ভর্তি ফি
    • মফস্বল/পৌর (উপজেলা) এলাকার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে সেশনচার্জসহ সর্বসাকুল্যে ১,০০০/- টাকা, পৌর (জেলা সদর) এলাকায় ২,০০০/- টাকা এবং ঢাকা ছাড়া অন্য মেট্রোপলিটন এলাকায় ৩,০০০/- টাকার বেশি ফি নেওয়া যাবে না।
    • ঢাকা মহানগর এলাকায় এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থী ভর্তিতে ৫,০০০/- টাকার বেশি নেওয়া যাবে না।
    • ঢাকা মহানগর এলাকায় আংশিক এমপিওভুক্ত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের উন্নয়ন ও এমপিও বর্হিভূত শিক্ষকদের বেতনভাতা দেওয়ার জন্য ভর্তির সময় মাসিক বেতন, সেশন চার্জ ও উন্নয়ন ফি বাবদ বাংলা মাধ্যমে ৯,০০০/- টাকা এবং ইংরেজি মাধ্যমে সর্বোচ্চ ১০,০০০/- টাকা নির্ধারণ করে দিয়েছে সরকার।
    • নীতিমালা অনুযায়ী, উন্নয়ন খাতে কোনো এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠান ৩,০০০/টাকার বেশি নিতে পারবে না। সরকারি কলেজগুলো পরিপত্র অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ফি সংগ্রহ করবে।
    • দরিদ্র, মেধাবী ও প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থী ভর্তিতে সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে ফি যতদূর সম্ভব মওকুফ করতে বলেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।
    • কোনো শিক্ষার্থীর কাছ থেকে অনুমোদিত ফির বেশি নেওয়া যাবে না উল্লেখ করে নীতিমালায় বলা হয়েছে, অনুমোদিত সকল ফি রশিদের মাধ্যমে গ্রহণ করতে হবে।
    তাই, একেক কলেজের ভর্তি ফি একেকরকম হতে পারে। যেজন্য যে কলেজে ভর্তি হবেন, সে কলেজের ভর্তি ফি আগে জেনে নিবেন।


    একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি হতে যেসব কাগজপত্র লাগেঃ

    • এসএসসি বা দাখিল পরীক্ষার মূল মার্কশিট বা একাডেমিক ট্রান্সক্রিপ্ট।
    • প্রশংসাপত্র/ টেস্টিমোনিয়াল মূল কপি।
    • এসএসসি পরীক্ষার রেজিস্ট্রেশন কার্ড -এর ফটোকপি ২ কপি
    • এসএসসি পরীক্ষার প্রবেশপত্র/এডমিট কার্ড।
    • শিক্ষার্থীর পাসপোর্ট সাইজের ছবি - ৪-৬ কপি এবং স্ট্যাম্প সাইজের ছবি ২-৪ কপি।
    • অভিভাবকের ভোটার আইডি কার্ড -এর ফটোকপি ২ কপি।
    • অভিভাবকের পাসপোর্ট সাইজের ছবি - ২ কপি এবং স্ট্যাম্প সাইজের ছবি ২-৪ কপি।
    • পাঠ বিরতি বা শিক্ষা বিরতি সনদপত্র ( যারা ২০১৭ বা ২০১৮ সালে এসএসসি পাশ করেছে, শুধু তাদের জন্য)
    • কোটার সনদপত্র (যারা কোনো কোটায় আবেদন করেছেন, শুধু তাদের জন্য)


    কিছু প্রশ্নের উত্তরঃ

    প্রশ্ন -০১ঃ একাদশ শ্রেণিতে প্রাথমিক আবেদন করার পর, কলেজ পরিবর্তন করা যাবে?
    উত্তরঃ হ্যা, করা যাবে। তবে যারা এসএমএস এর মাধ্যমে আবেদন করেছেন, তারা কলেজ পরিবর্তন করতে পারবেন না।

    প্রশ্ন -০২ঃ আবেদন করার পর চয়েজ তালিকা থেকে পছন্দক্রম পরিবর্তন করা যাবে?
    উত্তরঃ হ্যা, আবেদন করার পর, প্রয়োজনে চয়েজ তালিকা থেকে পছন্দক্রম পরিবর্তন করতে পারবেন। এতে যেভাবেই আবেদন করেন না কেন কোনো সমস্যা নেই।

    প্রশ্ন -০৩ঃ আবেদন করার পর কতবার আবেদন সংশোধন করা যাবে এবং এর শেষ তারিখ কত?
    উত্তরঃ আবেদন করার পর থেকে সর্বোচ্চ পাচ (০৫) বার আবেদন সংশোধন করা যাবে এবং এই সংশোধনের শেষ তারিখ --/--/২০২০.

    প্রশ্ন -০৪ঃ অনলাইন ও এসএমএস, উভয়ভাবে আবেদন করা যাবে?
    উত্তরঃ হ্যা, একজন শিক্ষার্থী এসএমএস ও অনলাইন উভয়পদ্ধতিতে আবেদন করতে পারবেন। তবে এসএমেস এর মাধ্যমে সর্বোচ্চ ৫টি কলেজে আবেদন করা যাবে।


    প্রার্থী বা শিক্ষার্থী নির্বাচনে অনুসরণীয় পদ্ধতি


    • ভর্তির জন্য কোন বাছাই বা ভর্তি পরীক্ষা গ্রহণ করা হবে না। কেবল শিক্ষার্থীর এসএসসি, আলিম বা সমমান পরীক্ষার ফলের ভিত্তিতে ভর্তি করা হবে।
    • কলেজ/সমমানের প্রতিষ্ঠানে ভর্তির ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কলেজ/সমমানের প্রতিষ্ঠানের ৯৫% আসন সকলের জন্য উন্মুক্ত থাকবে যা মেধার ভিত্তিতে নির্বাচন করা হবে। মেধার ভিত্তিতে ভর্তির পরে মােট আসনের ৫% মুক্তিযােদ্ধার সন্তান/সন্তানের সন্তানদের জন্য সংরক্ষিত থাকবে। উপযুক্ত কোটায় যদি প্রার্থী না পাওয়া যায় তবে এ আসন কার্যকরী থাকবে না। মুক্তিযােদ্ধার সন্তান/সন্তানের সন্তানদের সনাক্তকরণের জন্য মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় হতে প্রদত্ত সনদপত্র দাখিল করতে হবে।
    • যে সকল শিক্ষার্থী প্রতিবন্ধী হিসেবে এসএসসি পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছে কেবল তারাই সংশ্লিষ্ট বাের্ডে ম্যানুয়ালি ভর্তির জন্য আবেদন করতে পারবে। প্রবাসীদের সন্তান/বি.কে.এস.পি থেকে উত্তীর্ণ শিক্ষার্থী/খেলাধুলা এবং সাংস্কৃতিক ক্ষেত্রে বিভাগীয় বা জাতীয় পর্যায়ে অসামান্য অবদানের জন্য পুরস্কারপ্রাপ্ত শিক্ষার্থী ভর্তির জন্য বাের্ডে ম্যানুয়ালি আবেদন করতে পারবে। এ ক্ষেত্রে বাের্ড উপযুক্ত প্রমাণপত্র যাচাই বাছাই পূর্বক শিক্ষার্থীকে কাঙ্খিত প্রতিষ্ঠানে (প্রতিষ্ঠান কর্তৃক নির্ধারিত ন্যূনতম জি পি এ থাকা সাপেক্ষে) ভর্তির ব্যবস্থা নিবে।

    শিক্ষার্থী নির্বাচনে মেধাক্রম নির্ধারণের পদ্ধতি

    • সমান জিপিএ প্রাপ্তদের ক্ষেত্রে সর্বমােট প্রাপ্ত নম্বরের ভিত্তিতে মেধাক্রম নির্ধারণ করা হবে। বাংলাদেশ মাদরাসা শিক্ষা বাের্ড, কারিগরি শিক্ষা বাের্ড ও বাংলাদেশ উন্মুক্ত বিশ্ববিদ্যালয় এর ক্ষেত্রে গ্রেড পয়েন্ট ও প্রাপ্ত নম্বর সমতুল্য করে হিসাব করতে হবে। তাছাড়া বিভিন্ন সালের গ্রেড পয়েন্ট ও প্রাপ্ত নম্বর সমতুল্য করে হিসাব করতে হবে।
    • বিজ্ঞান গ্রুপে ভর্তির ক্ষেত্রে সমান মােট নম্বর প্রাপ্তদের মেধাক্রম নির্ধারণের ক্ষেত্রে সাধারণ গণিত ও উচ্চতর গণিত/জীব বিজ্ঞানে প্রাপ্ত নম্বর বিবেচনায় আনতে হবে। যদি প্রার্থী বাছাইকল্পে উদ্ভূত জটিলতা নিরসন না হয়, তবে পর্যায়ক্রমে ইংরেজি, পদার্থ বিজ্ঞান, রসায়নে প্রাপ্ত নম্বর বিবেচনায় আনতে হবে।
    • মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা গ্রুপ এর ক্ষেত্রে সমান মােট নম্বর বিষয়টি নিষ্পত্তির লক্ষ্যে পর্যায়ক্রমে ইংরেজি, গণিত ও বাংলা বিষয়ে প্রাপ্ত নম্বর বিবেচনায় আনতে হবে।
    • এক গ্রুপের প্রার্থী অন্য গ্রুপে ভর্তির ক্ষেত্রে জি.পি.এ একই হলে সর্বমােট প্রাপ্ত নম্বরের ভিত্তিতে মেধাক্রম নির্ধারণ করা হবে। এক্ষেত্রে প্রার্থী বাছাই কল্পে উদ্ভূত জটিলতা নিরসন না হলে পর্যায়ক্রমে ইংরেজি , গণিত ও বাংলা বিষয়ে প্রাপ্ত নম্বর বিবেচনায় আনতে হবে।
    • এ নীতিমালায় যা কিছুই থাকুক না কেন স্কুল এন্ড কলেজ/সমমানের প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে নিজস্ব প্রতিষ্ঠান হতে উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীগণ প্রতিষ্ঠান নির্ধারিত যােগ্যতা সাপেক্ষে স্ব স্ব বিভাগে (বিজ্ঞান, মানবিক ও ব্যবসায় শিক্ষা) অগ্রাধিকার ভিত্তিতে ভর্তির সুযােগ পাবে। প্রতিষ্ঠানের নিজস্ব শিক্ষার্থীদের স্ব স্ব বিভাগে ভর্তি নিশ্চিত করেই কেবল অবশিষ্ট শূন্য আসনে প্রযােজ্য ক্ষেত্রে নিয়মানুযায়ী শিক্ষার্থী ভর্তি করানাে যাবে। তবে এ সকল প্রতিষ্ঠানের সকল ভর্তিই অনলাইনে হবে।

    কলেজ/সমমানের প্রতিষ্ঠান পরিবর্তন

    সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বাের্ডের পূর্বানুমতি ছাড়া একাদশ শ্রেণিতে ভর্তিকৃত কোন ছাত্র/ছাত্রীর ছাড়পত্র ইস্যু করা যাবে না। কিংবা বাের্ডের পূর্বানুমতি ব্যতীত শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কর্তৃক ইস্যুকৃত ছাড়পত্রের বরাতে ভর্তি করা যাবে না। এক্ষেত্রে কলেজ/সমমানের প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষকে এ ধরনের ভর্তিকৃত ছাত্র/ছাত্রী ভর্তির ১৫ (পনের) দিনের মধ্যে রেজিস্ট্রেশন ফিসহ প্রয়ােজনীয় কাগজপত্র সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বাের্ডে জমা দিতে হবে।


    কলেজ/সমমান শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের করণীয় বর্জণীয়

    • কোন কলেজ/সমমানের প্রতিষ্ঠানে ভর্তির জন্য সংশ্লিষ্ট কলেজ কর্তৃপক্ষ ন্যূনতম যােগ্যতা নির্ধারণ করতে পারবে। কলেজ/সমমানের প্রতিষ্ঠানকে তাদের ভর্তি সংক্রান্ত সকল তথ্য ওয়েবসাইট এবং নােটিশ বাের্ডে প্রকাশ করতে হবে। 
    • সকল কলেজ/উচ্চমাধ্যমিক/সমমানের প্রতিষ্ঠান স্ব স্ব প্রতিষ্ঠানে মন্ত্রণালয় তথা শিক্ষা বাের্ড কর্তৃক ভর্তির জন্য নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের তালিকা ও সময় অনুযায়ী শিক্ষার্থী ভর্তি করবে। কোন প্রতিষ্ঠান মন্ত্রণালয় ও বাের্ড নির্ধারিত তারিখের বাইরে নিজ ইচ্ছামাফিক ভর্তি কার্যক্রম পরিচালনা করতে পারবে না।
    • পাঠদানের প্রাথমিক অনুমতিবিহীন কোন কলেজ/সমমানের প্রতিষ্ঠানে কোন অবস্থাতেই ছাত্র/ছাত্রী ভর্তি করা যাবে না। সকল বাের্ড এক্ষেত্রে সতর্কীকরণ বিজ্ঞপ্তি প্রদান করবে।
    • পাঠদানের প্রাথমিক অনুমতিপ্রাপ্ত অথবা স্বীকৃতিপ্রাপ্ত কোন কলেজ/সমমানের প্রতিষ্ঠানে অননুমােদিত শাখা এবং অননুমােদিত কোন বিষয়ে ছাত্র/ছাত্রী ভর্তি করা যাবে না।
    • কোন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কোন অবস্থাতেই সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠান হতে এসএসসি, আলিম বা সমমানের পরীক্ষায় উত্তীর্ণ কোন শিক্ষার্থীর মূল একাডেমিক ট্রান্সক্রিপ্ট উক্ত শিক্ষার্থী বা তার অভিভাবক ব্যতীত অন্য কোন ব্যক্তি বা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে হস্তান্তর করা যাবে না বা অন্য কোন অজুহাতে কোন শিক্ষার্থীর একাডেমিক ট্রান্সক্রিপ্ট আটক রাখা যাবে।
    • শিক্ষার্থী ভর্তির ক্ষেত্রে এই নীতিমালার কোনরূপ ব্যত্যয় ঘটানাে হলে বেসরকারি কলেজ/সমমানের প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে পাঠদানের অনুমতি বা স্বীকৃতি বাতিলসহ কলেজটির এম.পি.ও.ভুক্তি বাতিল করা হবে এবং সরকারি কলেজ/সমমানের প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে বিধি মােতাবেক ব্যবস্থা নেয়া হবে।
    • দেশের সকল সরকারি ও বেসরকারি কলেজ/সমমানের প্রতিষ্ঠানে ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষে একাদশ শ্রেণিতে ছাত্র/ছাত্রী ভর্তির ক্ষেত্রে এ নীতিমালা প্রযােজ্য হবে।




    একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির নীতিমালা ২০২০

    একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি তথ্য ২০২০ | এইচএসসি ভর্তি ২০২০ p-1
    একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি তথ্য ২০২০ | এইচএসসি ভর্তি ২০২০

    একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি তথ্য ২০২০ | এইচএসসি ভর্তি ২০২০ p-2
    একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি তথ্য ২০২০ | এইচএসসি ভর্তি ২০২০ p-3
    একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি তথ্য ২০২০ | এইচএসসি ভর্তি ২০২০ p-4
    একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি তথ্য ২০২০ | এইচএসসি ভর্তি ২০২০ p-5


    Post a Comment

    Previous Post Next Post