স্নাতক - ডিগ্রি (পাস) - ফাজিল পর্যায়ের দরিদ্র ও মেধাবী শিক্ষার্থী / ছাত্র-ছাত্রীদের শিক্ষা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে ২০১২-১৩ অর্থবছর থেকে "প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্ট" কর্তৃক উপবৃত্তি প্রদান করা হচ্ছে। সে লক্ষে এবার ২০২০ সালের স্নাতক (পাস) ও সমমান পর্যায়ের দরিদ্র ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তি প্রদান সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়েছে। অনলাইনে আবেদন শুরু হবে আগামী ১৬/০৮/২০২০ থেকে এবং চলবে ১৫/০৯/২০২০ তারিখ পর্যন্ত।

ডিগ্রি (পাস) ও সমমান পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তি ২০২০
ডিগ্রি (পাস) ও সমমান পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তি ২০২০

স্নাতক - ডিগ্রি (পাস) - ফাজিল পর্যায়ের দরিদ্র ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তি তথ্য ২০২০

সুপ্রিয় বন্ধুরা! আপনারা এডু মাসাইল (Edu Masail) ওয়েবসাইটের এই পোষ্ট হতে জানতে পারবেন যে, প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্ট কর্তৃক উপবৃত্তির জন্য কারা আবেদন করতে পারবে, শিক্ষার্থীদের করণীয় ও শর্তাবলী কি কি এবং উপবৃত্তি পেতে আবেদন করার বিস্তারিত তথ্যবলী। যাইহোক, প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্ট ২০২০ কর্তৃক স্নাতক (পাস) ও সমমান পর্যায়ে দরিদ্র ও মেধাবী শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তি প্রদান সংক্রান্ত বিস্তারিত তথ্য নিম্নে তুলে ধরা হলোঃ-


উপবৃত্তির জন্য যারা আবেদন করতে পারবে ২০২০

  • ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় এবং ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনস্থ স্নাতক (পাস) / ডিগ্রি / ফাজিল পাস শ্রেণির শিক্ষার্থী।
  • দ্বিতীয়ত ২০১৬-১৭ শিক্ষাবর্ষের ৩য় বর্ষ, ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষের ২য় বর্ষ এবং ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের ১ম বর্ষের শিক্ষার্থী উপবৃত্তির জন্য আবেদন করতে পারবে।

আবেদন করার সময়সীমা
  • শিক্ষার্থী কর্তৃক অনলাইনে আবেদনের সময় ঃ আগামী ১৬/০৮/২০২০ থেকে ১৫/০৯/২০২০ তারিখ পর্যন্ত।
  • শিক্ষক কর্তৃক তালিকা প্রেরণের শেষ সময় ঃ  ৩০/০৯/২০২০
প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্ট কর্তৃক উপবৃত্তির জন্য শর্তাবলী

  • প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থী, এতিম, অস্বচ্ছল মুক্তিযোদ্ধাদের সন্তান, নদীভাঙ্গন কবলিত পরিবারের সন্তান এবং দুস্থ পরিবারের সন্তানগণ উপবৃত্তি প্রাপ্তির ক্ষেত্রে অগ্রাধিকার পাবে।
  • তৃতীয় লিঙ্গধারী সকল শিক্ষার্থী উপবৃত্তি প্রাপ্য হবে এবং এদের তালিকা পৃথক ভাবে প্রেরণ করতে হবে।
  • উপবৃত্তি প্রাপ্তির জন্য নির্বাচিত শিক্ষার্থীর অভিভাবকের বার্ষিক আয় মোট ১,০০,০০০/- (এক লক্ষ) টাকার কম হতে হবে।
  • অভিভাবক/পিতামাতার মোট জমির পরিমাণ সিটি কর্পোরেশন এলাকায় বসবাসকারী ০.০৫ শতাংশ, পৌরসভা এলাকায় ০.২০ শতাংশ এবং অন্যান্য এলাকায় ০.৭৫ শতাংশের কম থাকতে হবে।
  • সংশ্লিষ্ট এলাকার সিটি কর্পোরেশন/ পৌরসভার মেয়র/ কাউন্সিলর/ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান/ প্রথম শ্রেণির গেজেটেড কর্মকর্তা/ সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠান প্রধান প্রদত্ত আয় ও জমির পরিমাণ সম্পর্কিত সনদপত্র যুক্ত করতে হবে।
  • উপবৃত্তিপ্রাপ্তির জন্য শিক্ষার্থীকে স্নাতক (পাস)/সমমান (ফাজিল) পর্যায়ের নিয়মিত শিক্ষার্থী হতে হবে। ২য় বর্ষ এবং ৩য় বর্ষের শিক্ষার্থীর ক্ষেত্রে স্নাতক (পাস)/ সমমান (ফাজিল) পর্যায়ের অভ্যন্তরীণ বা নির্বাচনী পরীক্ষায় নিয়মিত শিক্ষার্থী হিসাবে উত্তীর্ণ হতে হবে।
  • স্নাতক (পাস)/সমমান (ফাজিল) পর্যায়ের প্রথম বর্ষে ভর্তি হওয়ার পর বিরতিহীনভাবে ২য় বর্ষ ও ৩য় বর্ষে অধ্যয়ন করতে হবে এবং স্নাতক(পাস)/সমমান পর্যায়ের পরীক্ষায় অংশ্রগ্রহণ করতে হবে। উল্লেখ্য যে, ১ম, ২য়, ৩য় বর্ষের যেকোনো বর্ষে পুনঃভর্তি হলে উক্ত শিক্ষার্থী অনিয়মিত হিসাবে বিবেচিত হবে এবং উপবৃত্তিপ্রাপ্তির ক্ষেত্রে বিবেচিত হবে না।
  • নিয়মিত শিক্ষার্থী হিসেবে শ্রেণিকক্ষে (ক্লাস) কমপক্ষে ৭৫% উপস্থিতি থাকতে হবে। এক্ষেত্রে আবশ্যিক বিষয় হিসেবে (বাংলা/ইংরেজি) কাউন্ট করা যেতে পারে।
  • ছাত্র-ছাত্রীর ভর্তিকৃত শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের হালনাগাদ জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়/ ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বীকৃতি এবং পাঠদানের অনুমতি থাকতে হবে।

প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্ট কর্তৃক উপবৃত্তির জন্য আবেদন পদ্ধতি ২০২০


উপবৃত্তি প্রাপ্তির জন্য শিক্ষার্থীকে প্রথমে নিম্নে দেওয়া আবেদন লিংক থেকে অনলাইনে আবেদন বা নিবন্ধন করতে হবে। অনলাইনে আবেদন / নিবন্ধন করার পদ্ধতি দেখুন এখান থেকে। অথবা এই পোষ্টের নিচে গিয়ে রিলেটিভ পোষ্টে পাবেন। অথবা নিম্নে ভিডিওতে দেখুন বিস্তারিত--

আবেদন করার লিংক : উপবৃত্তি প্রাপ্তির জন্য শিক্ষার্থীকে এই লিংকে প্রবেশ করে অনলাইনে নিবন্ধন করতে হবে।


নিবন্ধনের জন্য প্রয়ােজনীয় নির্দেশনা বর্ণিত ওয়েবসাইটে ব্যবহার নির্দেশিকায় পাওয়া যাবে। উক্ত সফটওয়্যারে তথ্য এন্ট্রির জন্য সকল শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তাদের আলাদা আলাদা User ID ও password শিঘ্রই প্রেরণ করা হবে।

ব্যবহার নির্দেশিকার শর্তাবলি অনুসরণপূর্বক আগামী ১৬/০৮/২০২০ থেকে ১৫/০৯/২০২০ তারিখ পর্যন্ত সিস্টেম ব্যবহার করে অনলাইনে শিক্ষার্থীরা আবেদন করতে পারবে। উপবৃত্তি প্রাপ্তির জন্য নির্বাচিত শিক্ষার্থীর অভিভাবকের বার্ষিক আয় মোট ১,০০,০০০/- (এক লক্ষ) টাকার কম হতে হবে।

সামগ্রীক প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে আগামী ৩০/০৯/২০২০ তারিখের মধ্যে নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের তালিকা সিস্টেম ব্যবহার করে অনলাইনে প্রেরণ করার জন্য অনুরােধ করা হলাে। উল্লেখ্য, নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের তালিকার কোন হার্ড কপি প্রেরণের প্রয়ােজনীয়তা নাই।


ডিগ্রি / ফাজিল উপবৃত্তি ২০২০ সংক্রান্ত কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নোত্তর


01. ২০২০ সালের ডিগ্রি উপবৃত্তির জন্য কারা আবেদন করতে পারবে?
      উত্তরঃ শুধুমাত্র স্নাতক ডিগ্রি বা ফাজিল পাস পর্যায়ের ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের ১ম বর্ষ,  ২০১৭-১৮ ২য় বর্ষ এবং ২০১৬-১৭ শিক্ষাবর্ষের ৩য় বর্ষের শিক্ষার্থীরা আবেদন করতে পারবে।

02. নিবন্ধন করার সময় রেজিঃ ও রোল নম্বর সঠিক থাকা সত্তেও ভুল দেখালে কি করবো?
      উত্তরঃ দুইটি কাজ করা যাবে। রেজিঃ ও রোল এবং মোবাইল নম্বর অবশ্যই ইংরেজি অক্ষরে দিতে হবে। এরপরও ভুল দেখালে কিছুক্ষণ পর আবার চেষ্টা করুন। কেননা সার্ভাররের সমস্যার কারনে ভুল দেখাতে পারে।

03. নিবন্ধন করতে পাসওয়ার্ড কি দিবো?
      উত্তরঃ নিবন্ধন করার সময় আপনার ইচ্ছামতো যেকোনো 6 digit বা সংখ্যা / বর্ণ দিয়ে পাসওয়ার্ড সেট করতে পারবেন। উল্লেখ্য, পরবর্তীতে এই পাসওয়ার্ড দিয়ে আপনাকে বাকি কাজগুলো সম্পন্ন করতে হবে।

04. নিবন্ধন করার পর পাসওয়ার্ড ভুলে গেলে কি করবো ও উপায় কি?
      উত্তরঃ নিবন্ধন করার পর পাসওয়ার্ড ভুলে গেলে আপনার স্নাতক রেজিস্ট্রেশন নম্বর ও মোবাইল নম্বর দিয়ে পাসওয়ার্ড পুনরুদ্ধার করতে পারবেন। এ জন্য "পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?" অপশনে ক্লিক করে প্রয়োজনীয় তথ্যদি দিয়ে পাসওয়ার্ড পুনরুদ্ধার করা যাবে।

05. ডিগ্রি ২০১৯-২০ সেশনের শিক্ষার্থী এবার আবেদন করতে পারবে?
      উত্তরঃ না, ২০১৯-২০ সেশনের ডিগ্রি/ফাজিল শিক্ষার্থী এবার আবেদন করতে পারবেন না। বরং আগামী বছর আবেদন করতে পারবেন।

06. ডিগ্রি প্রাইভেট কোর্সে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থী আবেদন করতে পারবে?
      উত্তরঃ হ্যা, ডিগ্রি / ফাজিল প্রাইভেট কোর্সে অধ্যয়নরত শিক্ষার্থী আবেদন করতে পারবে।

07. অর্নাসের শিক্ষার্থীরা আবেদন করতে পারবে?
      উত্তরঃ  না, পারবেন না। উপবৃত্তি শুধু ডিগ্রি অধ্যয়নরত শিক্ষার্থীদের দেওয়া হয়। অর্নাস শেষ করার পর আপনাদের রেজাল্টের উপর ভিত্তি করে মেধাবৃত্তি দেওয়া হবে।

08. এক, দুই বা ততোধিক সাবজেক্ট F থাকলে কি আবেদন করা যাবে?
      উত্তরঃ হ্যা, আবেদন করা যাবে।

09. রেজাল্টে Not promoted আসলে উপবৃত্তি পাওয়া যাবে?
      উত্তরঃ ১ম, ২য়, ৩য় বর্ষের যেকোনো বর্ষে পুনঃভর্তি হলে উক্ত শিক্ষার্থী অনিয়মিত হিসাবে বিবেচিত হবে এবং উপবৃত্তি প্রাপ্তির ক্ষেত্রে বিবেচিত হবে না। সুতরাং Not promoted প্রাপ্ত কোনো শিক্ষার্থী আবেদন করতে পারবে না।

10. আবেদনের সময় ছবি আপলোড হয় না, সমাধান কি?
      উত্তরঃ ছবিতা ৩০০ বাই ৩০০ পিক্সেল এবং ১০০ kb এর কম হতে হবে। তাই ছবি আপলোড দেওয়ার আগে ক্রপ করে পরিমাণ মত ছোট করে নিন। আর সাইয কমাতে কোনো এপ ব্যবহার করুন। যেমন PicsArt, photo editor.
11. অনলাইন আবেদন করতে গিয়ে “Error! Your Institution is not Register for PMEAT scholarship program!” লিখা আসছে। নিবন্ধন হচ্ছে না সেক্ষেত্রে কি করণীয়?
      উত্তরঃ এটা সার্ভার সমস্যা বা কলেজ/মাদ্রাসা এখনও ডাটা এন্ট্রি করেনি। তাই কয়েকদিন পর আবেদন করার চেষ্টা  করুন। যেহেতু যথেষ্ট সময় আছে। কেননা আবেদনের শেষ সময় ১৫ সেপ্টেম্বর।

12. উপবৃত্তির জন্য কি (অনলাইন/সেভিংস) ব্যাংক একাউন্ট লাগবে?
      উত্তরঃ অনলাইনে আবেদন করতে অবশ্যই যেকোনো ব্যাংক একাউন্ট নাম্বার দিতে হবে। তবে (অনলাইন/সেভিংস) ব্যাংক একাউন্টের পরিবর্তে মোবাইল ব্যাংকিং একাউন্ট খুলে নেওয়া যাবে বা দেওয়া যাবে।

13. মোবাইল ব্যাংক একাউন্ট হলে হবে এবং কি কি মোবাইল ব্যাংক একাউন্ট নম্বর দেওয়া যাবে?
      উত্তরঃ হ্যা, মোবাইল ব্যাংক একাউন্ট হলে হবে। আর বিকাশ ও রকেট এর মোবাইল ব্যাংক একাউন্ট নম্বর দেওয়া যাবে।

14. যারা পূর্বে আবেদন করে উপবৃত্তির অর্থ পেয়েছেন, তাদের কি আবার আবেদন করতে হবে?
      উত্তরঃ হ্যা, ইতিপূর্বে ডিগ্রি (পাস) / ফাজিল (পাস) পর্যায়ের সেসব শিক্ষার্থী উপবৃত্তির অর্থ পেয়েছেন, তাদেরকে আবার পুনরায় অনলাইনে আবেদন করতে হবে।

15. যারা পূর্বে আবেদন করে উপবৃত্তির অর্থ পেয়েছে, তাদের কি আবার নিবন্ধন করতে হবে?
    উত্তরঃ না, যারা পূর্বে আবেদন করে উপবৃত্তির অর্থ পেয়েছেন, তাদের আবার নিবন্ধন করতে হবে না। অথবা করলেও সমস্যা নেই।

16. আবেদনের সময় জমির পরিমাণ ও বার্ষিক আয় কি দিবো?
      উত্তরঃ উপবৃত্তি প্রাপ্তির জন্য অভিভাবক / পিতামাতার মোট জমির পরিমাণ সিটি কর্পোরেশন এলাকায় বসবাসকারী জমির ০.০৫ শতাংশ, পৌরসভা এলাকায় ০.২০ শতাংশ এবং অন্যান্য এলাকায় ০.৭৫ শতাংশের কম থাকতে হবে এবং অভিভাবকের বার্ষিক আয় মোট ১,০০,০০০/- (এক লক্ষ) টাকার কম হতে হবে।

17. আবেদনের সময় বার্ষিক আয় কি দিবো?
      উত্তরঃ উপবৃত্তি প্রাপ্তির জন্য অভিভাবকের বার্ষিক আয় মোট ১,০০,০০০/- (এক লক্ষ) টাকার কম হতে হবে।

18. আবেদন সম্পন্ন করার পর সংশোধন করা যাবে?
      উত্তরঃ না, আবেদন সম্পন্ন করার পর সংশোধন করা যাবে না। তাই, সতর্কতার সহিত আবেদন ফরম পুরন করবেন।

19. অনলাইনে আবেদন করতে কি কলেজে/মাদ্রাসা যেতে হবে বা কলেজ/মাদ্রাসা থেকে করতে হবে?
      উত্তরঃ না, আপনি নিজে বা যেকোনো কম্পিউটার দোকান থেকে আবেদন করতে পারবেন। কলেজ/মাদ্রাসা নোটিশ দিলে প্রিন্ট কপি জমা দিবেন।

20. অনলাইনে আবেদন করার পর কি কলেজে/মাদ্রাসায় জমা দিতে হবে?
      উত্তরঃ অনলাইনে নিবন্ধন ও আবেদন প্রক্রিয়া সম্পন্ন করার পর প্রিন্ট কপি, আর কলেজ/মাদ্রাসা কর্তৃক নির্দেশিত কাগজপত্র (যেমনঃ পাসপোর্ট সাইজের ছবি, রেজিষ্ট্রেশন কার্ডের ফটোকপি) জমা দিতে হবে। কলেজ নোটিশে বিস্তারিত জানতে পারবেন।

21. আবেদনের সময় কোনো টাকা লাগবে?
      উত্তরঃ না, অনলাইনে আবেদন করতে কোনো ফি/টাকা লাগবে না।




প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্ট কর্তৃক উপবৃত্তির জন্য শিক্ষার্থী নির্বাচনের নিয়মাবলী

(ক) প্রাথমিক নির্বাচন:

(১) প্রথমত, সংশ্লিষ্ট শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ভর্তিকৃত মোট শিক্ষার্থীর মধ্যে হতে উপরোক্ত শর্তাবলির আলোকে শিক্ষার্থীদের আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে মোট আবেদিত ছাত্র এবং ছাত্রীর পৃথক তালিকা প্রস্তুত করতে হবে।
(২) প্রাথমিকভাবে নির্বাচিত ছাত্রী তালিকাকে ১০০% ধরে তার মধ্যে হতে ৭৫% ছাত্রীকে উপবৃত্তির জন্য নির্বাচন করতে হবে।
(৩) একইভাবে, প্রাথমিকভাবে নির্বাচিত ছাত্র তালিকাকে ১০০% ধরে তার মধ্যে হতে ২৫% ছাত্রকে উপবৃত্তির জন্য নির্বাচন করতে হবে।


(খ) চূড়ান্ত নির্বাচন:

(১) শিক্ষার্থী নির্বাচনী কমিটি উপবৃত্তির জন্য শিক্ষার্থী নির্বাচন চূড়ান্ত করবে এবং নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের নাম, শ্রেণি রোল নম্বর ও কলেজের নাম চূড়ান্ত করবেন।
(২) নির্বাচনি কমিটি উপবৃত্তিপ্রাপ্ত শিক্ষার্থীর তালিকা চূড়ান্ত্ভাবে প্রস্ততকালে একটি রেজুলেশন করবেন। উক্ত রেজুলেশন এর একটি কপিসহ উপবৃত্তির জন্য চূড়ান্তভাবে নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের চূড়ান্ত তালিকা প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্ট অফিসে প্রেরণ করবেন। উল্লেখ্য যে, রেজুলেশন এর কপি ব্যতিত নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের তালিকা গ্রহণযোগ্য হবে না।


প্রধানমন্ত্রীর শিক্ষা সহায়তা ট্রাস্ট ২০২০ কর্তৃক স্নাতক-ডিগ্রি (পাস) ও সমমান পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তি প্রদান বিজ্ঞপ্তি

ডিগ্রি (পাস) ও সমমান পর্যায়ের শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তি বিজ্ঞপ্তি ২০২০




16 Comments

  1. ডিগ্রিতে আবেদনের লিংক দেন

    ReplyDelete
    Replies
    1. ডিগ্রি বা ফাজিল উপবৃত্তির জন্য আবেদন করার লিংক আপডেট করে দেওয়া হয়েছে। এখন আপনি পাবেন।

      Delete
  2. আমার পাসওয়ার্ড আর ইউজার আইডি ভুলে গেছি...বাকি কাজগূলো করতে পারছি না..পুনরায় পাসওয়ার্ড ও ইউজার আইডি নতুন করে পেতে করনীয় কি৷ (বিকল্প) অনলাইনের কাজ করে তাদের কাছে গেলে কি সমস্যা সমাধান হবে৷

    ReplyDelete
    Replies
    1. আপনার স্নাতকের রেজিস্ট্রেশন নম্বরই হচ্ছে ইউজার আইডি এবং পাসওয়ার্ড ভুলে গেলে প্রবেশ করার অপশনে যাওয়ার পর পাসওয়ার্ড বক্সের নিচে দেখবেন "পাসওয়ার্ড ভুলে গেছেন?" লেখা আছে। তাতে ক্লিক করে নিয়মানুযায়ী পাসওয়ার্ড পরিবর্তন করতে পারবেন। আর যদি এমন কোনো লেখা দেখতে না পেলে, ওয়েবসাইটের নিচে দেখবেন হেল্প ডেস্ক নামে একটি অপশন আছে, সেখানে ক্লিক করে প্রয়োজনীয় তথ্য দিয়ে মেসেজ বক্সে আপনার সমস্যা বলে মেসেজ দিবেন। আশাকরি সমাধান পাবেন। আর, হ্যা নিজের আবেদন নিজে করলে কোনো সমস্যা হবে না।

      Delete
  3. আমার কলেজের নাম ভুল আসছে এটা কি বাভে সমাধান করবো।।

    ReplyDelete
    Replies
    1. আবেদন সম্পন্ন করে নিলে আর কোনভাবে সম্ভব নয়। তবে আবেদন সম্পন্ন না করলে, প্রবেশ করুন অপশন থেকে লগ-ইন করে সংশোধন করা যাবে।

      Delete
  4. আচ্ছা থ্রি ডট মেনুতে ক্লিক করলে তথ্য সংশোধন অপসন পাওয়া যায়। এবং ফাইল আপলোড করতে বলা হয়। এখন আমার বয়স ভুল হয়েছে। আমি আমার সকল তথ্য আপলোড করেছি। আমার জন্ম তারিখ কি ঠিক করে দেওয়া হবে? আর আরেকটি সমস্যা হলো আমার প্রোফাইলে গেলে দেখা যায় মোবাইল নাম্বার সঠিক, কিন্তু এপ্লিকেশন কপি ডাউনলোড করলে দেখা যায় একটি নাম্বার কম এটি কেনো হয়েছে?

    ReplyDelete
    Replies
    1. এরকম কোনো অপশন থাকতে পারে না। কারন একবার আবেদন করে নিলে, তা আর সংশোধন করা যায় না। তবে শুধুমাত্র মোবাইল নম্বর আর পাসওয়ার্ড পরিবর্তন করা যায়। তাই এরকম কোনো সিস্টেম নেই এবং আমিও পাইনি। এমনকি থ্রি ডট মেনুতে ক্লিক করেও। তাহলে আপনি কিভাবে পেলেন, তার স্কিন শর্ট সহ আমাদের ফেসবুক পেজে ইনবক্স করুন।

      Delete
  5. আবেদন ফরমে আমার মোবাইল নাম্বারের শেষ একটা সংখ্যা আসে নাই। আমি এখন কি করতে পারি

    ReplyDelete
    Replies
    1. এখন আপনার রেজিস্ট্রেশন দিয়ে লগ-ইন করার পর যে মেনু আসবে, সেই মেনুর ডান দিকের কোনায় ক্লিক করবেন অর্থাৎ যেখানে আপনার নাম দেখতে পারবেন সেখানে ক্লিক করবেন। তারপর দেখবেন দুই নম্বর অপশনে মোবাইল নাম্বার পরিবর্তন করার অপশন পাবেন, পাসওয়ার্ড আর নতুন মোবাইল দিয়ে পরিবর্তন করে নিতে পারবেন।

      Delete
  6. আমি ইন্টার রোল ভুল করে সাসপেন্ড হয়েছি এখন কি করতে পারি

    ReplyDelete
    Replies
    1. কিছুই করার নেই।

      Delete
  7. আলিম মাদরাসার নাম ভূলে অন্য মাদ্রাসার নাম এসেছে এখন কি করবো।

    ReplyDelete
    Replies
    1. এখন কিছুই করার নেই, যদি আবেদন সম্পূর্ণ করে ফেলেন। তবে রেজিস্ট্রেশন নম্বর, passing year, বর্ষ ঠিক থাকলে, আশাকরি সমস্যা হবে না।

      Delete
  8. আমার জন্মতারিখটি ভুল আসছে এখন কি কোন সমস্যা হবে?

    ReplyDelete
    Replies
    1. রেজিস্ট্রেশন আর রোল নম্বর সঠিক থাকলে আশাকরি সমস্যা হবে না।

      Delete

Post a Comment

Previous Post Next Post

কোনো কিছু জিজ্ঞাসা করতে চান?


সুপ্রিয় বন্ধুরা! আপনারা কোনো কিছু জানতে চাইলে, পোষ্টের কমেন্ট বক্সে জিজ্ঞাসা করতে পারবেন। আর আমাদের সাইটের কোনো লিংকে ক্লিক করার পর অন্য সাইটে চলে গেলে ভয় পাবেন না। তা কেটে দিয়ে অথবা মোবাইলের ব্যাক বাটনে ক্লিক করে আবার ঐ লিংকে ক্লিক করুন কাঙ্ক্ষিত তথ্য পাবেন। -------ধন্যবাদ��